বিশ্বের বৃহত্তম নদ-নদী
নদীর নাম | অবস্থান | বিশেষত্ব |
|---|---|---|
নীল নদ | আফ্রিকা মহাদেশ (মোট ১১ টি দেশ) | আফ্রিকা তথা পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী । |
আমাজন | দক্ষিণ আমেরিকার |
|
হোয়াংহো | কুনলুন পর্বত | চীনের দুঃখ নামে পরিচিত। |
জেনে নিই
- অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘতম নদী- মারে ডার্লিং
- ইউরোপের দীর্ঘতম নদী- ভলগা
- উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম নদী- মিসিসিপি
- হোয়াংহো নদী অবস্থিত- চীনে
- বিশ্বের ক্ষুদ্রতম নদী- রো নদী (যুক্তরাষ্ট্র)
- কঙ্গো নদী অবস্থিত-- আফ্রিকা
- সিন্ধু নদ প্রবাহিত- পাকিস্তানে
- চীন তথা এশিয়ার দীর্ঘতম নদী- ইয়াংসিকিয়াং
- ইউরোপ মহাদেশের ১০টি দেশে প্রবাহিত দানিয়ুব নদী ।
- আমুর নদী অবস্থিত রাশিয়া ।
- ইউফ্রেটিস নদীর অন্য নাম- ফোরাত
- টাইগ্রিস নদীর অন্য নাম- দজলা ।
- প্রশস্ত মোহনাকে বলা হয়- খাড়ি।
- যে নদীতে মাছ হয় না- জর্ডান নদীতে
- সিন্ধু নদ অবস্থিত- পাকিস্তানে ।
- যৌথভাবে পৃথিবীর বড় নদী- মিসিসিপি -মিসৌরি
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বিশ্বের বিখ্যাত নদ-নদীর মধ্যে নীলনদ, আমাজন, হোয়াংহো, মিসিসিপি, এবং গঙ্গানদী অন্যতম, যা সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে; বাংলাদেশে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ও ব্রহ্মপুত্রের মতো প্রধান নদীগুলো দেশের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার কেন্দ্রবিন্দু, যা অসংখ্য উপনদী ও শাখানদীর (যেমন তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই) মাধ্যমে বিস্তৃত।
পৃথিবীর বিখ্যাত নদীর নাম ও বৈশিষ্ট্য
নদী | বৈশিষ্ট্য |
এশিয়ার নদ নদী | |
| ১. ইয়াংসিকিয়াং নদ | ● এশিয়া এবং চীনের দীর্ঘতম নদ। ● এর অপর নাম স্বর্ণভরপুর নদী । ● দৈর্ঘ্য : ৬৩০০ কিমি । ● এর উৎপত্তি তিব্বতের মালভূমি এবং পতনস্থল পূর্ব চীন সাগরে । |
| ২. হোয়াংহো নদ | ● দৈর্ঘ্য: ৫৪৬৪ কি.মি । ● প্রাচীনকালে বন্যায় দুইধার প্লাবিত হতো বলে একে 'চীনের দুঃখ' বলা হত। ● অন্য নাম পীত নদী, হলুদ নদী । ● এর উৎপত্তি চীনের কুনলুন পর্বত এবং পতনস্থল পীত সাগরে । |
| ৩. সিন্ধু নদ | ● দেশ: পাকিস্তান, ভারত, চীন এবং আফগানিস্তান। ● দৈর্ঘ্য: ৩১৮০ কিমি ● ভারতবর্ষের দীর্ঘতম নদ। ● এই নদীর নামানুসারে ভারতের নাম 'ইন্ডিয়া' হয়েছে ● পাকিস্তানের অর্থনীতির ভিত্তি। ● শতদ্রু (শতলজ), বিপাশা, ইরাবতী (রাভী), চন্দ্রভাগা, বিতস্তা (ঝিলাম) প্রভৃতি সিন্ধুর প্রধান উপনদী। ● এর উৎপত্তি তিব্বতের মালভূমি এবং পতনস্থল আরব সাগরে । |
| ৪. গঙ্গা | ● দেশ: নেপাল, ভারত এবং বাংলাদেশ। ● ভারতের প্রধান/ জাতীয় নদ। ● ধর্মীয়ভাবে হিন্দুদের নিকট গুরুত্বপূর্ণ নদ। ● দৈর্ঘ্য: ২৫১০ কিমি। ● শাখানদী: হুগলি ও ভাগীরথী। ● এর উৎপত্তি হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ এবং পতনস্থল বঙ্গোপসাগর । |
| ৫. ব্রহ্মপুত্র | ● দেশ: চীন, নেপাল, ভুটান, ভারত এবং বাংলাদেশ ● দৈর্ঘ্য: ২৯৪৮ কিমি ● এর উৎপত্তি তিব্বতের মানস সরোবর হৃদ এবং পতনস্থল বঙ্গোপসাগর |
| ৬. লেনা নদ | ● দেশ : রাশিয়া ● এটি সাইবেরিয়ায় অবস্থিত এবং বরফাবৃত। ● এর উৎপত্তি বৈকাল হৃদ এবং পতনস্থল উত্তর মহাসাগর |
| ৭. আমুর নদ | ● সাইবেরিয়ায় অবস্থিত । ● মধ্য এশিয়ার দীর্ঘতম নদী । ● এর উৎপত্তি ইউব্লোনভি পর্বত এবং পতনস্থল ওখটস্ক সাগর । |
| ৮. টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস | ● দেশ: ইরাক, তুরস্ক এবং সিরিয়া। ● মিলীতভাবে শাত-ইল-আরব নামে পারস্য উপসাগরে পতিত হয়। ● দোজলা-ফোরাত নামেও পরিচিত। ● এর উৎপত্তি আর্মেনিয়ার উচ্চভূমি এবং পতনস্থল পারস্য উপসাগর । |
| ৯. জর্ডান | ● দেশ: জর্ডান ইসরাইল। ● ইহুদি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পবিত্র নদী। ● এ নদীতে মাছ হয় না। ● এ নদীর প্রবাহ সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর, ইসরায়েল এবং জর্ডানসহ ৫টি দেশের ভিতর দিয়ে যায়। ইসরায়েল এই নদীর পানি সেচের কাজে ব্যবহার করতে কৃত্রিমভাবে খাল কেটে দক্ষিণ দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে মৃত সাগরের পানি দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। ● এর উৎপত্তি হুলা হৃদ এবং পতনস্থল মৃত সাগর । |
| ১০. ইরাবতী | ● দেশ: মায়ানমার ● এর উৎপত্তি ভারতের নাগা পার্বত্য অঞ্চল এবং পতনস্থল মার্তাবান উপসাগর । |
| ১১. সালুইন | ● এর উৎপত্তি তিব্বতের মালভূমি এবং পতনস্থল মার্তাবান উপসাগর । |
ইউরোপের নদ নদী | |
| ১. ভলগা | ● ইউরোপের দীর্ঘতম নদী ● দেশ: রাশিয়া ও কাজাখস্তান। ● দৈর্ঘ্য: ৩,৬৯০ কিমি। ● এর উৎপত্তি রাশিয়ার ভলদাই পর্বত এবং পতনস্থল কাস্পিয়ান সাগর । |
| ২. দানিয়ুব নদী | ● ইউরোপের ২য় দীর্ঘতম নদী। ● ইউরোপের অন্যতম প্রধান পরিবহন পথ ● দৈর্ঘ্য: ২৮৪২ কি.মি. ● ১০ টি দেশের (মধ্য ও পূর্ব ইউরোপ) উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে একে আন্তর্জাতিক নদী বলে। ● দেশ: রুমানিয়া, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, সার্বিয়া, জার্মানি, স্লোভাকিয়া, বুলগেরিয়া এবং ক্রোয়েশিয়া। ● এর উৎপত্তি ব্ল্যাক ফরেস্ট এবং পতনস্থল কৃষ্ণসাগর । |
| ৩. ভিশ্চুলা এবং ওভারনীম নদী | ● এর উৎপত্তি ইউরোপের উচ্চ মালভূমি এবং পতনস্থল বাল্টিক সাগর । |
| ৪. এলব | ● এর উৎপত্তি এডা পর্বতশ্রেণী এবং পতনস্থল উত্তর সাগর । |
| ● বসনিয়া-হার্জেগোভিনাকে পৃথক করেছে - দ্রীনা নদী। | |
| ● আল্পস এর পার্বত্য অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে পো অ্যাড্রিয়াটিক সাগরে, রোন ভূ-মধ্যসাগরে, রাইন উত্তর সাগরে পতিত হয়েছে। | |
| ● ডন, নিপার, নিস্টার প্রভৃতি কৃষ্ণ সাগরে পতিত হয়েছে। | |
| ● জেনেভা, লুসান, জুরিখ, ম্যাডোরে, গার্দা, কনস্ট্যান্স ইনারি ইউরোপের বিখ্যাত হ্রদ। | |
আফ্রিকার নদ নদী | |
| ১. নীলনদ | ● আফ্রিকা তথা বিশ্বের দীর্ঘতম নদী। ● দৈর্ঘ্য: ৬৬৯০ কিমি. (প্রায়)/ ৪,২৫৮ মাইল। ● আফ্রিকার ১১ টি দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত: উগান্ডা, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইথিওপিয়া, মিশর, রুয়ান্ডা, কঙ্গো, বুরুন্ডি, তানজানিয়া, ইরিত্রিয়া, কেনিয়া। ● সুদানের খার্তুসে ব্লু নাইল ও হোয়াইট নাইল মিলিত হয়েছে। ● এই নদী বিষুবরেখাকে দুইবার অতিক্রম করেছে। হোয়াইট নাইলের এর উৎস হল ভিক্টোরিয়া হ্রদ। ● ব্লু লাইন এর উৎস হল জানা হ্রদ (ইথিওপিয়া) । ● এর উৎপত্তি ভিক্টোরিয়ার হৃদ এবং পতনস্থল ভূ-মধ্যসাগর । |
| ২. কঙ্গো | ● আফ্রিকা দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী । ● এর মোহনা ১১ কিলোমিটার । ● এর উৎপত্তি মালাবি ও তানজানিয়ার মধ্যবর্তী উচ্চভূমি এবং পতনস্থল আটলান্টিক মহাসাগর । |
| ৩. জাম্বেসি | ● এ নদীর গতিপথ সৃষ্টি হয়েছে ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত। ● এর উৎপত্তি এঙ্গোলার মালভূমি এবং পতনস্থল ভারত মহাসাগর । |
দক্ষিণ আমেরিকার নদ-নদী | |
| ১. আমাজন | ● পৃথিবীর বৃহত্তম এবং প্রশস্ততম নদী। ● পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। ● দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম নদী। এর দৈর্ঘ্য ৬৪৩৭ কি.মি । ● নদীটি ৭টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। যথা- ব্রাজিল, পেরু, বলিভিয়া, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, ভেনিজুয়েলা ও গায়ানা । ● এ নদীর অববাহিকায় রয়েছে সেলভা বনভূমি। ● এই নদীর ২০টি উপনদী আছে। ● এই নদী দিয়ে সবচেয়ে বেশি পানি প্রবাহিত হয় (৪.২ মিলিয়ন ঘনফুট/সেকেন্ড)। ● এই নদীর উৎপত্তি গায়ানা মালভূমি এবং পতনস্থল আটলান্টিক মহাসাগর । |
| ২. ওরিনকো | ● কলম্বিয়া ও ভেনিজুয়েলার সীমানা নির্ধারণ করে। ● এই নদীর উৎপত্তি গায়ানা মালভূমি এবং পতনস্থল আটলান্টিক মহাসাগর । |
উত্তর আমেরিকার নদ-নদী | |
| ১. মিসিসিপি মিসৌরি | ● যুক্তরাষ্ট্র তথা উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম নদী। ● দৈর্ঘ্য : ৫৯৭১ কিমি । ● উপনদী সহ পৃথিবীর দীর্ঘতম নদ। ● মিসৌরি মিসিসিপির প্রধান উপনদী। ● মিসিসিপি-মিসৌরির একত্রে দৈর্ঘ্য ৮০৯৫ কি.মি। ● এটি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট লুইসে মিসিসিপির সাথে মিলিত হয়েছে । ● এই নদীর উৎপত্তি মিনেসোটা হ্রদ এবং পতনস্থল মেক্সিকো উপসাগর । |
| ২. ম্যাকেঞ্জি | ● এই নদীর উৎপত্তি গ্রেট শ্লেভ এবং পতনস্থল উত্তর মহাসাগর । |
| ৩. সেন্টলরেন্স | ● এই নদীর উৎপত্তি অন্টারিও হ্রদ এবং পতনস্থল সেন্টলরেন্স উপসাগর । |
| ৪. নেলসন নদী | ● এই নদীর উৎপত্তি ইউনিপেগ হ্রদ এবং পতনস্থল হাডসন উপসাগর । |
অস্ট্রেলিয়ার উল্লেখযোগ্য নদী | |
| ● মারে ডার্লিং অস্ট্রেলিয়া দীর্ঘতম নদী। এটি অস্ট্রেলিয়ান আল্পসের কোসিয়াস্কো পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে এনকাউন্টার উপসাগরে পতিত হয়েছে। মারে ডার্লিং অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র তুষার গলা নদী। অস্ট্রেলিয়া অধিক বৃষ্টির পানি দ্বারা সৃষ্ট। ডালিং নদী মারে নদীর একটি উপনদী। | |
| ● অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ পশ্চিম উপকূলে কোনো নদী নেই। | |
| ● অন্যান্য নদী: ফিজরয়, ভিক্টোরিয়া, রোপার, ম্যাক আর্থার, মিচেল, গিলবার্ড। | |
| ● দীর্ঘতম নদী - নীলনদ ⇒ প্রশস্ততম নদী - আমাজান ⇒ আন্তর্জাতিক নদী - দানিয়ুর ⇒ ইউরোপ ও রাশিয়ায় দীর্ঘতম নদী - ভলগা | |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
আমাজন নদী দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী, যা জলপ্রবাহের পরিমাণে বিশ্বের বৃহত্তম এবং দৈর্ঘ্যে দ্বিতীয় দীর্ঘতম। পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে এটি ব্রাজিলসহ আরও কয়েকটি দেশ পেরিয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়েছে, এবং এর অববাহিকা পৃথিবীর অন্যতম জীববৈচিত্র্যপূর্ণ অঞ্চল। এই নদীতে প্রচুর পরিমাণে মিঠা জল পাওয়া যায় এবং এর বিশালতার কারণে কোনো সেতু নেই।
● পৃথিবীর বৃহত্তম এবং প্রশস্ততম নদী।
● পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
● দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম নদী। এর দৈর্ঘ্য ৬৪৩৭ কি.মি ।
● নদীটি ৭টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। যথা- ব্রাজিল, পেরু, বলিভিয়া, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, ভেনিজুয়েলা ও গায়ানা ।
● এ নদীর অববাহিকায় রয়েছে সেলভা বনভূমি।
● এই নদীর ২০টি উপনদী আছে।
● এই নদী দিয়ে সবচেয়ে বেশি পানি প্রবাহিত হয় (৪.২ মিলিয়ন ঘনফুট/সেকেন্ড)।
● এই নদীর উৎপত্তি গায়ানা মালভূমি এবং পতনস্থল আটলান্টিক মহাসাগর ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
হুয়াংহো নদী , যা পীত নদী নামেও পরিচিত, উত্তর চীনের সর্বপ্রধান নদী এবং দৈর্ঘ্যে ৫৪৬৪ কিলোমিটার হওয়ায় এটি চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম ও বিশ্বের ষষ্ঠ দীর্ঘতম নদী। পশ্চিম চীনের ছিংহাই প্রদেশের বায়ান হার পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে নদীটি বহু প্রদেশ অতিক্রম করে শানতুং প্রদেশের তুংইং শহরের কাছে পীত সাগরের পোহাই উপসাগরে পতিত হয়েছে। লোয়েস মালভূমি দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার ফলে নদীর পানিতে বিপুল পরিমাণ হলুদাভ পলিমাটি বহন হয়, যার কারণে এর নামকরণ হয়েছে “পীত নদী”। অতিরিক্ত পলি জমে নদীর তলদেশ উঁচু হয়ে যাওয়ায় ইতিহাসে অন্তত ২৬ বার এর গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছে এবং ১৬০০ বারেরও বেশি ভয়াবহ বন্যা সংঘটিত হয়েছে, যা দুর্ভিক্ষ ও মহামারির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কারণ হওয়ায় একে “চীনের দুঃখ” বলা হয়। তবে এই পলিই উত্তর চীন সমভূমিকে অত্যন্ত উর্বর করে তুলেছে এবং এর তীরেই খ্রিস্টপূর্ব ১৭শ শতক থেকে প্রাচীন চীনা সভ্যতার বিকাশ ঘটে। হুয়াংহো নদীর অববাহিকাকে চীনা সভ্যতার আঁতুড়ঘর ও মাতৃনদী বলা হয়; এখানেই প্রাচীন রাজবংশগুলোর রাজধানী গড়ে ওঠে এবং মুদ্রণ, কাগজ, বারুদ ও দিকনির্ণয় যন্ত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন ঘটে। আধুনিক যুগে চীনা সরকার বড় বাঁধ ও জলসংরক্ষণ প্রকল্প নির্মাণের মাধ্যমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ও সেচব্যবস্থা উন্নত করেছে। বর্তমানে এই নদী চীনের প্রায় ১২% জনগণকে পানি সরবরাহ করে, ১৫% আবাদি জমিতে সেচ দেয় এবং দেশের জাতীয় উৎপাদনের একটি বড় অংশ এর উপর নির্ভরশীল, ফলে একসময়ের “চীনের দুঃখ” আজ বহু মানুষের জন্য আশীর্বাদে পরিণত হয়েছে।
Key Points
● দৈর্ঘ্য: ৫৪৬৪ কি.মি ।
● প্রাচীনকালে বন্যায় দুইধার প্লাবিত হতো বলে একে 'চীনের দুঃখ' বলা হত।
● অন্য নাম পীত নদী, হলুদ নদী ।
● এর উৎপত্তি চীনের কুনলুন পর্বত এবং পতনস্থল পীত সাগরে ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বিশ্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ শহর নদী তীরে গড়ে উঠেছে, যেমন প্যারিস (সীন), লন্ডন (টেমস), নিউইয়র্ক (হাডসন), কলকাতা (হুগলি), বাগেদাদ (টাইগ্রিস), ও সাংহাই (ইয়াংসি), যা সভ্যতা ও বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যেখানে নদীগুলো পরিবহন, জল সরবরাহ ও কৃষিক্ষেত্রে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
নদী তীরবর্তী শহর
শহর | দেশ | নদী |
| দিল্লি | ভারত | যমুনা |
| আগ্রা | ভারত | যমুনা |
| কলকাতা | ভারত | হুগলি |
| কানপুর | ভারত | কাবেরি |
| পাটনা | ভারত | গঙ্গা |
| লাহোর | পাকিস্তান | রাভী |
| করাচি | পাকিস্তান | সিন্ধু |
| আকিয়াব | মায়ানমার | ইরাবতী |
| ইয়াঙ্গুন | মায়ানমার | ইরাবতী |
| বাগদাদ | ইরাক | টাইগ্রিস |
| কারবালা | ইরাক | ইউফ্রেটিস |
| বসরা | ইরাক | শাত-ইল-আরব |
| হংকং | চীন | ক্যান্টন |
| সাংহাই | চীন | ইয়াংসিকিয়াং |
| পিকিং | চীন | হোয়াংহো |
| টোকিও | জাপান | আরাকাওয়া |
| ব্যাংকক | থাইল্যান্ড | মিনাম |
| আঙ্কারা | তুরস্ক | কিজিল |
| পশ্চিম তীর | ফিলিস্তিন | জর্ডান |
| অটোয়া | কানাডা | সেন্ট লরেন্স |
| কুইবেক | কানাডা | সেন্ট লরেন্স |
| মন্ট্রিল | কানাডা | সেন্ট লরেন্স |
| নিউইয়র্ক | যুক্তরাষ্ট্র | হাডসন |
| বেলগ্রেড | সার্বিয়া | দানিয়ুব |
| বুদাপেস্ট | হাঙ্গেরি | দানিয়ুব |
| ভিয়েনা | অস্ট্রিয়া | দানিয়ুব |
| লন্ডন | যুক্তরাজ্য | টেমস |
| ডান্ডি | যুক্তরাজ্য | টেমস |
| গ্লাসগো | যুক্তরাজ্য | ক্লাইভ |
| লিভারপুল | যুক্তরাজ্য | মার্সি |
| ব্রিস্টল | যুক্তরাজ্য | এডন |
| ওয়ারশ | পোল্যান্ড | ভিশ্চ্যুলা |
| ডানজিগ | পোল্যান্ড | ভিশ্চ্যুলা |
| মস্কো | রাশিয়া | মস্কোভা |
| বন | জার্মানি | রাইন |
| বার্লিন | জার্মানি | স্প্রি |
| হামবুর্গ | জার্মানি | এলব |
| রোম | ইতালি | টিবের |
| প্যারিস | ফ্রান্স | সিন |
| লিসবন | পর্তুগাল | টেগাস |
| মাদ্রিদ | স্পেন | মানজেরান |
| ডাবলিন | আয়ারল্যান্ড | লিফে |
| কায়রো | মিশর | নীলনদ |
| আলেকজান্দ্রিয়া | মিশর | নীলনদ |
| সিডনি | অস্ট্রেলিয়া | মারে ডার্লিং |
- নদীবিহীন দেশ : সৌদি আরব, বাহরাইন, কিরিবাতি, মালদ্বীপ মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, মোনাকো, নাউরু, টোঙ্গা এবং টুভ্যালু।
- চার্লস কিংসলির অমর শিশু কবিতা The Sands of Dee নদীর উপর ভিত্তি করে রচিত হয় ।
- নদীর পানি প্রবাহের পরিমাপের একক কিউসেক।
বিশ্বের বিখ্যাত খালগুলোর মধ্যে পানামা খাল (আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর সংযোগকারী) এবং সুয়েজ খাল (ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর সংযোগকারী) অন্যতম, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও নৌ চলাচলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; এছাড়া, প্রাচীনতম ও দীর্ঘতম চীনের মহাখাল (Grand Canal) একটি ঐতিহাসিক বিস্ময়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বিশ্বের ৪৫ টি দেশের নিজস্ব সমুদ্রবন্দর নেই।
- দক্ষিণ এশিয়ার ৩টি দেশ সমুদ্রবন্দরহীন- নেপাল, ভুটান ও আফগানিস্তান।
- ইউরোপের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর- রটারডাম (নেদারল্যান্ডস)।
- বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত সমুদ্রবন্দর- সিঙ্গাপুর বন্দর।
- এশিয়ার বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর- হংকং বন্দর (চীন)।
- ফ্রি পোর্ট নামে পরিচিত- হংকং সমুদ্রবন্দর (করবিহীন)।
- আফ্রিকার বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর- ডারবান বন্দর (দক্ষিণ আফ্রিকা)
- উত্তর আমেরিকার বৃহত্তম বন্দর- নিউইয়র্ক সমুদ্রবন্দর (যুক্তরাষ্ট্র)।
- দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর- রিও ডি জেনেরিও সমুদ্রবন্দর (ব্রাজিল)
- আরব সাগরের রাণী বলা হয়- কোচিন বন্দরকে (ভারতে অবস্থিত)।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
নেপাল
মালদ্বীপ
গ্রীস
কানাডা
ইটালি
আকাবা (Aqaba) হলো জর্ডানের একমাত্র উপকূলীয় শহর, যা লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরের তীরে অবস্থিত, এটি দেশের একমাত্র সমুদ্রবন্দর, একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র এবং পর্যটন গন্তব্য ।
আকাবা বন্দর জর্ডানে একমাত্র বন্দর, এবং এটি আকাবা পোর্ট কর্পোরেশন পরিচালনা করে।
লৌহ যুগ থেকে আকাবা একটি প্রধান বন্দর হিসাবে পরিচিত রয়েছে সকলের কাছে। বাইবেলটি এলাকায় (১ কিং ৯:২৬) উল্লেখ করে: "বাদশাহ্ সোলায়মান ইৎসিয়োন-গেবরে জাহাজ নির্মাণ করেছিলেন, যেটা ইদোমের কাছে অবস্থিত, ইদোমের লোহিত সাগরের তীরে", যেখানে এলোথ একটি বন্দর উল্লেখ করে আকাবা এর ভিত্তিতে অটোমানরা হেজাজ রেলপথ নির্মাণের পরে আকাবা বন্দরটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, যা দামাস্কাস ও মদিনার সাথে সংযোগ স্থাপন করে। আজ, আকাবা অর্থনীতি মূলত পোর্ট সেক্টরের বন্দরের উপর নির্ভরশীল। সম্প্রতি, আবুধাবী কোম্পানীর একটি সংগঠন আল আলব্বার নামক একটি কোম্পানীকে ৩০ বছর ধরে আকাবা বন্দরকে স্থানান্তর ও পরিচালনা করতে এবং বিদ্যমান ফেরি টার্মিনালটি সম্প্রসারণের জন্য নির্বাচিত হয়েছে যার ফলে প্রায় ১.৩ মিলিয়ন যাত্রী এবং হাজার হাজার ট্রাক এবং গাড়ি এই বন্দরের থেকে লৌহিত সাগর অতিক্রম করে মিশরে পৌঁছায়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
মিয়ানমার
রাশিয়া
ইরাক
জর্ডান
সমুদ্রসীমার অঞ্চল (Maritime Zones) বলতে মহাসাগর বা সমুদ্রের সেই সকল অংশকে বোঝায়, যার উপর উপকূলীয় রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট অধিকার ও কর্তৃত্ব প্রয়োগ করতে পারে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সনদ ১৯৮২ অনুসারে সমুদ্রসীমা বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত, যেমন—রাষ্ট্রীয় জলসীমা (১২ নটিকাল মাইল), সংলগ্ন অঞ্চল (২৪ নটিকাল মাইল), একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল বা EEZ (২০০ নটিকাল মাইল), মহীসোপান এবং মুক্ত সাগর। রাষ্ট্রীয় জলসীমার মধ্যে রাষ্ট্র পূর্ণ সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে, সংলগ্ন অঞ্চলে শুল্ক, অভিবাসন ও স্বাস্থ্য আইন কার্যকর করা যায় এবং EEZ অঞ্চলে মৎস্য সম্পদ ও প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান ও আহরণের একচেটিয়া অধিকার রাষ্ট্রের থাকে। মহীসোপান হলো সমুদ্রতলের সেই অংশ যেখানে রাষ্ট্র খনিজ সম্পদ আহরণের অধিকার ভোগ করে, যা বিশেষ ক্ষেত্রে ৩৫০ নটিকাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। মুক্ত সাগর হলো ২০০ নটিকাল মাইলের বাইরে অবস্থিত সমুদ্রাঞ্চল, যেখানে সকল রাষ্ট্র নৌচালনা, বিমান চলাচল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও মৎস্য আহরণের স্বাধীনতা ভোগ করে। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের সমুদ্রসীমা আইন এবং জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সনদের আলোকে তার সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করেছে এবং ২০১২ সালে মায়ানমার ও ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বিশেষত বাঁকা ও পরিবর্তনশীল উপকূলরেখা এবং পলিবাহিত নদীর কারণে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ জটিল হলেও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে আজ বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে তার ন্যায্য অধিকার ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে।
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার চার স্তর:
✅রাজনৈতিক জলসীমা/আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা: ১২ নটিক্যাল মাইল
✅সন্নিহিত অঞ্চল (Contiguous Zone): ২৪ নটিক্যাল মাইল
✅একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ): ২০০ নটিক্যাল মাইল
✅মহীসোপান (Continental Shelf): ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
পৃথিবীর বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক নিদর্শন (চীনের মহাপ্রাচীর, তাজমহল, পিরামিড, কলোসিয়াম), প্রাকৃতিক সৌন্দর্য (নায়াগ্রা জলপ্রপাত, মাচু পিচু, মাউন্ট এভারেস্ট), আধুনিক স্থাপত্য (আইফেল টাওয়ার, বুর্জ খলিফা, সিডনি অপেরা হাউস), এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (প্যারিস, রোম, ভ্যাটিকান সিটি, গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, অ্যাংkor Wat, গালি, ট্যুরটুনগা)। এই স্থানগুলো তাদের বিশ্বমানের আকর্ষণ, ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যিক নিদর্শন
- চীনের মহাপ্রাচীর (Great Wall of China): প্রাচীন চীনের বিশাল প্রতিরক্ষা প্রাচীর।
- তাজমহল (Taj Mahal), ভারত: মুঘল স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন।
- আইফেল টাওয়ার (Eiffel Tower), ফ্রান্স: প্যারিসের প্রতীক, রোমান্স ও স্থাপত্যের মেলবন্ধন।
- পিরামিড (Pyramids of Giza), মিশর: প্রাচীন সভ্যতার বিস্ময়।
- কলোসিয়াম (Colosseum), ইতালি: রোমান সাম্রাজ্যের বিশাল অ্যাম্ফিথিয়েটার।
- মাচু পিচু (Machu Picchu), পেরু: ইনকা সভ্যতার হারানো শহর।
- বুর্জ খলিফা (Burj Khalifa), সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বের উচ্চতম ভবন।
- সিডনি অপেরা হাউস (Sydney Opera House), অস্ট্রেলিয়া: আধুনিক স্থাপত্যের masterpiece।
প্রাকৃতিক বিস্ময়
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত (Niagara Falls), কানাডা/মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: বিশ্বখ্যাত জলপ্রপাত।
- মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest), নেপাল/চীন: পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন (Grand Canyon), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: বিশাল গিরিখাত।
- গ্রেট বেরিয়ার রিফ (Great Barrier Reef), অস্ট্রেলিয়া: বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর।
- গ্যালস আইল্যান্ড (Galle Island), শ্রীলঙ্কা: ঐতিহাসিক শহর ও সুন্দর সৈকত।
- ট্যুরটুনগা (Trolltunga), নরওয়ে: পর্বতচূড়ায় ঝুলন্ত পাথরের formations।
সাংস্কৃতিক ও নগর কেন্দ্র
- প্যারিস, ফ্রান্স: শিল্প, সংস্কৃতি ও রোমান্সের শহর।
- ভ্যাটিকান সিটি, ইতালি: ক্যাথলিক চার্চের কেন্দ্র।
- অ্যাক্রোপলিস (Acropolis), গ্রীস: এথেন্সের প্রাচীন দুর্গ।
- টাইম স্কয়ার (Times Square), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: নিউ ইয়র্কের প্রাণকেন্দ্র।
- ওল্ড হাভানা (Old Havana), কিউবা: ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতি।
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য স্থান
- স্ট্যাচু অফ লিবার্টি (Statue of Liberty), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: স্বাধীনতার প্রতীক।
- সাগরাদা ফ্যামিলিয়া (Sagrada Familia), স্পেন: বার্সেলোনার অনন্য চার্চ।
- গার্ডেনস বাই দ্য বে (Gardens by the Bay), সিঙ্গাপুর: futuristic বাগান।
এই কেন্দ্রগুলো ভিন্ন ভিন্ন কারণে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং বিশ্বজুড়ে ভ্রমণকারীদের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে আছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ভারতের আগ্রায় অবস্থিত একটি রাজকীয় সমাধি তাজমহল। মুঘল সম্রাট শাহজাহান তার স্ত্রী আরজুমান্দ বানু বেগম যিনি মমতাজ মহল নামে পরিচিত, তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই অপূর্ব সাদা মার্বেলের সৌধটি নির্মাণ করেন। সৌধটি নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৬৩২ খ্রিস্টাব্দে, যা সম্পন্ন হয়েছিল প্রায় ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণের পর থেকেই তাজমহল বহু পর্যটককে আকর্ষণ করে।
প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর আগের তৈরি। মিশরের পুরনো রাজরাজাদের সংরক্ষিত স্মৃতিচিহ্ন। প্রাচীনকালে হেলেনীয় সভ্যতার পর্যটকরা প্রথম এ ধরনের তালিকা প্রকাশ করে। সপ্তাশ্চর্যের সর্বশেষ তালিকায় প্রকাশিত হয়েছে ২০০৭ সালে। এ তালিকায় প্রথমেই স্থান পেয়েছে গিজার পিরামিড। এটি মিসরের সবচেয়ে বড়, পুরনো ও আকর্ষণীয় পিরামিড। যা খুফুর পিরামিড (৪৮১ ফুট) হিসেবেও পরিচিত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
অস্ট্রেলিয়ার সিডনি অপেরা হাউস। ১৯৫৯ সালে এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। শেষ হতে লেগেছিল ১৪ বছর। বিস্ময়কর স্থাপনার তালিকায় এটিও রয়েছে। অপেরা হাউসটি রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বন্দরে। এটি নৌকার পাল আকৃতির ন্যায় দেখতে। অপেরা হাউসটি মহাসাগরের এক প্রান্তে তৈরি করা হয়েছে, যা দেখতে অনেকটা উপত্যকার মতো।
আমেরিকার সাউথ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যের কিস্টোনে অবস্থিত মাউন্ট রাশমোর। গ্রানাইট পাথরের পাহাড় কেটে তৈরি করা একটি মনুমেন্ট। ভাস্কর গাটজন বর্গলাম এটি নির্মাণ করেন। ৬০-ফুট (১৮ মি) উচ্চতার এই প্রেসিডেন্সিয়াল ভাস্কর্য দ্বারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ১৩০ বছরের ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। এখানে বিভিন্ন সময়ে দ্বায়িত্ব পালনকৃত যে চারজন মার্কিন রাষ্ট্রপতির আবক্ষমূর্তি স্থান পেয়েছে তারা হলেন, জর্জ ওয়াশিংটন, থমাস জেফারসন, থিওডোর রুজভেল্ট, এবং আব্রাহাম লিংকন।
আঙ্করভাট কম্বোডিয়ার আংকরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মধ্যযুগীয় মন্দির। সুবিশাল এই স্থাপনাটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ মন্দির। ১২শ শতাব্দীতে এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন রাজা ২য় সূর্যবর্মণ। তিনি এটিকে তার রাজধানী ও প্রধান উপাসনালয় হিসাবে তৈরি করেন। আন্তরভাটের নির্মাণশৈলী খেমারুজ সাম্রাজ্যের স্থাপত্য শিল্পকলার অনুপম নিদর্শন ।এটি কম্বোডিয়ার জাতীয় পতাকায় স্থান পেয়েছে, এবং দেশটির প্রধান পর্যটন আকর্ষণ।
ইটালির লিনিং টাওয়ার অব পিসা। মার্বেলের তৈরি এই সৌধটি বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম। স্তম্ভটি ঘন্টা বাজানোর উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল। এর এক পাশ হেলে থাকার কারণে সমগ্র বিশ্বে এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও সুনাম রয়েছে। নির্মাণের শুরু থেকেই এই গুচ্ছের এক দিক থেকে ক্রমশ হেলতে থাকে। বর্তমানে এ অবকাঠামোটিকে রক্ষা করতে যুল্লখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করায় এর হেলে পড়া রোধ ও ভূপাতিত হওয়া থেকে রক্ষা করা গিয়েছে।
লা পাজ (La Paz) আনুষ্ঠানিকভাবে নোয়েস্ত্রা সেনিওরা দে লা পাজ নামে পরিচিত। এটি বলিভিয়ার প্রকৃত রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র, যেখানে দেশটির সরকার ও নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয়; তবে সাংবিধানিক ও বিচারিক রাজধানী হলো সুক্রে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৬৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত হওয়ায় লা পাজ পৃথিবীর সর্বোচ্চ প্রশাসনিক রাজধানী শহর হিসেবে পরিচিত। ১৫৪৮ সালে স্পেনীয়রা শহরটি প্রতিষ্ঠা করে এবং ১৮৯৮ সাল থেকে এটি প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। চোকুইয়াপু নদীর উপত্যকায় অবস্থিত এই শহর রেল ও সড়কপথে চিলি ও পেরুর সমুদ্রবন্দরগুলোর সঙ্গে যুক্ত এবং এর বিমানবন্দরটি বিশ্বের সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোর একটি।
৩,৬৪০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত বলিভিয়ার রাজধানী ও প্রধান শহর। পৃথিবীর উচ্চতম রাজধানী লাপাজ। এর উপকণ্ঠে অবস্থিত বিমান বন্দরটি পৃথিবীর উচ্চতম বিমান বন্দর ।
বিশ্বের উচ্চতম রাজধানী : লাপাজ, বলিভিয়া
পেন্টাগন (Pentagon) হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (U.S. Department of Defense) প্রধান সদর দপ্তর। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটন এলাকায় অবস্থিত এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অফিস ভবন হিসেবে পরিচিত। ভবনটির নকশা পাঁচ কোণবিশিষ্ট হওয়ায় একে Pentagon বলা হয় (গ্রিক শব্দ penta অর্থ পাঁচ) । এর আকৃতি পঞ্চভুজাকৃতির বলে এরুপ নামকরণ করা হয়েছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় অফিস ভবন।
পেন্টাগন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা সংস্থার নীতিনির্ধারণ, সামরিক পরিকল্পনা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এটি শুধু একটি ভবন নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতীক হিসেবেও পরিচিত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
নিউইয়র্ক
ফ্লোরিডা
শিকাগো
ভার্জিনিয়া
এটি আমেরিকার নিউ হ্যাম্পশায়ার রাজ্যে অবস্থিত। ১ জুলাই ১৯৪৪ সালে এখানে জাতিসংঘের মুদ্রা আর্থিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং এই সম্মেলনের সিদ্ধাস্তানুযায়ী আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এবং বিশ্বব্যাংক অনু লাভ করে এজন্য এ দুটি সংস্থাকে ব্রিটনউডস ইনস্টিটিউট বলা হয়।
ভূ-মধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত। মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর ও প্রধান সমুদ্র বন্দর।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
লন্ডনে অবস্থিত মানমন্দির ও হাসপাতালের জন্য প্রসিদ্ধ। গ্রিনিচ মান মন্দির (GMT) ধর দ্রাঘিমাংশ) এ স্থানের উপর দিয়ে গেছে। বাংলাদেশের সাথে সময়ের ব্যবধান +৬ ঘণ্টা।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
+৪ ঘন্টা
+৫ ঘন্টা
+৬ ঘন্টা
+৭ ঘন্টা
চীন
জাপান
রাশিয়া
যুক্তরাজ্য
ঐতিহাসিক মসজিদটি ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় অবস্থিত ষোড়শ শতকে মোঘল সম্রাট জহিরউদ্দীন মুহম্মদ বাবর এটি নির্মাণ করেন মসজিদটির নির্মাণকাল ১৫২৭ খ্রিস্টাব্দে হিন্দু উগ্রবাদীদের দাবি যে, মসজিদটি দেবতা রামের মন্দির যদিও ঐতিহাসিক কোনো প্রমান পায়নি ভারতীয় প্রত্নতাতিক বিভাগ। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বরে বাবরী মসজিদ হিন্দু সন্ত্রাসীদের দ্বারা বিধ্বস্ত হয়। ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১০ আলোচিত বাবরী মসজিদ মামলার রায় হয়, রায়ে বলা হয়, মুসলিম সম্প্রদায় পাবে এক-তৃতীয়াংশ এবং হিন্দু ধর্মীয় সংগঠন দুই-তৃতীয়াংশ ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ইরাকের ফোরাত নদীর তীরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক প্রান্তর। এখানে সামেস্কের অধিপতি এজিদের সেনাবাহিনীর সাথে ধর্মযুদ্ধে হযরত মুহাম্মদ (স) এর দৌহিত্র ও হযরত আলী (রা)-এর কনিষ্ঠ পুত্র ইমাম হোসেন (রা) মর্মান্তিকভাবে শাহাদৎ বরণ করে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
পুরাতন দিল্লিতে অবস্থিত। উচ্চতা ৫৮ মিটার কুতুব উদ্দীন আইবেক নির্মিত ভারতের সর্বোচ্চ মিনার। ১২৩২ সালে নির্মাণ করা হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের তিয়েন আনমেন স্কয়ারের পশ্চিম কোণে অবস্থিত চীনের বিখ্যাত 'গ্রেট হল। এটা মূলত চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস - এর পার্লামেন্ট ভবন। গ্রেট হলের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে এরুপ দুটি স্থাপনা হলো 'হোয়াইট হল' (লন্ডন) ও 'ইন্ডিপেন্ডেন্স হল (যুক্তরাষ্ট্র)।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ইস্তাম্বুল তুরস্কের বৃহত্তম শহর ও প্রধান অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক কেন্দ্র। এটি ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশের সংযোগস্থলে বসফরাস প্রণালীর দুই তীরে অবস্থিত এবং প্রাচীনকালে বাইজান্টিয়াম ও কনস্টান্টিনোপল নামে পরিচিত ছিল। প্রায় ১৬০০ বছর ধরে এটি রোমান, বাইজেন্টাইন ও উসমানীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল। বর্তমানে যদিও তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা, তবু ইস্তাম্বুল দেশটির বাণিজ্য, শিল্প, পর্যটন ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। শহরটিতে হাগিয়া সোফিয়া, নীল মসজিদ, তোপকাপি প্রাসাদসহ বহু ঐতিহাসিক স্থাপনা ও ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান রয়েছে।
ইস্তাম্বুল - এই নগরীটি এশিয়া এবং ইউরোপ উভয় মহাদেশে বিস্তৃত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
তিয়েনআনমেন চত্বর চীনের সর্ববৃহৎ চত্বর। এটি বেইজিং শহরের মধ্যস্থলে অবস্থিত। নিষিদ্ধ নগরী থেকে এটিকে পৃথক করে তিয়েনআনমেন গেট (স্বর্গীয় শান্তির তোরণ) যা চত্বরের উত্তর পার্শ্বে অবস্থিত। এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম চত্বর (৪৪০,০০০ বর্গ মিটার- ৮৮০ মিটার x ৫০০ মিটার অথবা ১০৯ একর - ৯৬০ x ৫৫০ ইয়াড)। এই চত্বরটি চীনের ইতিহাসের বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পীঠস্থান।
বহির্বিশ্বে এই চত্বরটি ১৯৮৯ সালের মুক্তবাজার অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের দাবীতে তিয়েনআনমেন চত্বর প্রতিরোধ আন্দোলনের জন্যই অধিক পরিচিত, যা ৪ঠা জুন ১৯৮৯ সালে বেইজিং-এ সামরিক আইন জারীর মাধ্যমে ও শতাধিক বা মতান্তরে সহস্রাধিক প্রাণহানির মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
সিলিকন ভ্যালি হলো যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত একটি অঞ্চল, যা বিশ্বব্যাপী উচ্চ প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ সংস্কৃতির কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এটি মূলত সান ফ্রান্সিসকো উপসাগরীয় এলাকার দক্ষিণাংশে সান্তা ক্লারা ভ্যালিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এবং সান হোসে, পালো আল্টো, মাউন্টেন ভিউ, সানিভেল ও কুপারটিনোর মতো শহরসমূহ এতে অন্তর্ভুক্ত। ট্রানজিস্টর ও ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটে ব্যবহৃত সিলিকন উপাদান থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্যোগ, মার্কিন প্রতিরক্ষা খাতের বিনিয়োগ, ভেঞ্চার ক্যাপিটালের সহজলভ্যতা এবং উদার ব্যবসায়িক নীতির ফলে এই অঞ্চলে ইন্টেল, অ্যাপল, গুগল, হিউলেট-প্যাকর্ডসহ অসংখ্য বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছে। এখানেই মাইক্রোপ্রসেসর, ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট এবং ইন্টারনেটের পূর্বসূরি প্রযুক্তির বিকাশ ঘটে। বর্তমানে সিলিকন ভ্যালি যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ প্রযুক্তি শিল্পের প্রতীক এবং বিশ্ব প্রযুক্তি অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
আইফেল টাওয়ার, প্যারিসের সেইন নদীর তীরবর্তী এলাকায় অবস্থিত লোহার তৈরি পৃথিবীর অন্যতম নিদর্শন। গোস্ত আইফেল ১৮৮৯ সালে এটি নির্মাণ করেন। ১০৫০ ফুট উচ্চতার এ বিশাল টাওয়ার টি মাত্র ৩০০ জন শ্রমিক ২ বছর ২ মাস ২ দিনে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। ফরাসী বিপ্লব স্মরণীয় করে রাখতে প্যারিস শহরে নির্মাণ করা হয়েছিলো। আইফেল টাওয়ার। সূর্যাস্তের পর প্রতি ঘন্টায় ৫ মিনিটি করে ২০০০০ বাল্বের আলোক ছটা এক অপরূপ সৌন্দর্য ধারন করে যা কিনা পর্যটকদের আকর্ষনীয় করে তুলে।
আইফেল টাওয়ার: আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস শহরের একটি বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক এবং ফ্রান্সের একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ টাওয়ারটি পরিদর্শন করে। টাওয়ারটি প্যারিসের সীন নদীর তীরে অবস্থিত। এর চারপাশে "Champ de Mars" নামক বিশাল উদ্যান রয়েছে। ৩১ মার্চ, ১৮৮৯ সালে "Exposition Universelle" (বিশ্বব্যাপী মেলা) উপলক্ষে এটি উদ্বোধন করা হয়। এটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ারগুলির মধ্যে একটি যার উচ্চতা ৩২৪ মিটার [১০৬৩ ফুট]। টাওয়ারটির ডিজাইন করেছিলেন গুস্তাভ আইফেল। আইফেল ছিলেন একজন ফরাসি প্রকৌশলী। টাওয়ারটি নির্মাণে দুই বছর দুই মাস সময় লেগেছিল। টাওয়ারে মোট ১৭৯২ টি সিঁড়ি রয়েছে। দর্শনার্থীরা লিফট বা সিঁড়ি ব্যবহার করে টাওয়ারের চূড়ায় যেতে পারেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
লন্ডনে
মিউনিখে
জেনেভায়
প্যারিসে
সাড়ে ছয় হাজার কিলোমিটারব্যাপী বিস্তৃত চীনের এ মহাপ্রাচীরটি বিশ্বের মানবসৃষ্ট অন্যতম বড় নিদর্শন। এটি পৃথিবীর একমাত্র স্থাপনা যা চাঁদ থেকে দেখা যায়। খ্রিস্টের জন্মের আগে থেকে উত্তরের মঙ্গল আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য চীনের সম্রাটরা এটি নির্মাণ শুরু করে। ২২০-২০৬ খ্রিস্টপূর্বে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দেয়ালগুলো নির্মাণ করা হয়। পূর্বে ডাংডং থেকে শুরু করে পশ্চিমে লপ লেক পর্যন্ত ৬৪০০ কিমি. দীর্ঘ এ দেয়ালটির বিস্তৃতি।
পৃথিবীর রাজধানী খ্যাত নিউইয়র্ক সিটি হাডসন নদীর মোহনায় ম্যানহাটন দ্বীপে অবস্থিত। নিউইয়র্ক আমেরিকার একটি বিশিষ্ট বাণিজ্য ও শিল্পকেন্দ্র। এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত। ১৮৮৬ সালে ২৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লিবার্টি দ্বীপে স্থাপন করা হয়েছিল ফরাসি উপহার স্ট্যাচু অব লিবার্টি। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক একাডেমি ওয়েস্ট পয়েন্টও নিউইয়র্কে অবস্থিত। বিশ্বখ্যাত নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ নিউইয়র্কের ওয়াল স্ট্রিট সত্ত্বকে অবস্থিত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে ওয়াটার গেট নামক বাণিজ্যিক ভবন অবস্থিত মার্কিন ডেমোক্রেটিক দলের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। ১৯৭২ সালের ১৭ জুন, রিপাবলিকান দল ডেমোক্রেটদের গোপন আলোচনা ও নির্বাচনী কৌশল জানার জন্য তাদের সদর দপ্তরে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করে। এ ব্যাপারে ৫ জন হাতেনাতে ধরা পড়ে ঘটনাটি পরে ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারী নামে সারা বিশ্বে পরিচিতি লাভ করে সংবিধান বিরোধী এ কাজের জন্য রিচার্জ নিক্সনকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল।
১৯৬১ সালের ১৩ ও ১৪ আগস্ট পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনের মধ্যে এ প্রাচীর নির্মিত হয় পূর্ব জার্মানীর নাগরিকগণ যাতে পশ্চিম জার্মানে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য তখন পূর্ব জার্মান সরকার এ প্রাচীর নির্মাণ করে এ প্রাচীর শীতল যুদ্ধের অন্যতম প্রতীকে পরিণত হয়েছিল ১৯৮৯ সালে ইউরোপে সমাজতন্ত্রের পতনে ফলে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে। বার্লিন প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ১৫৫ কি.মি। ১৯৯০ সালে ৩ অক্টোবর (মধ্যরাতে) দুই জার্মানী একীভূত হয়। ১৯৯০ সালে পূর্ব জার্মানী রাষ্ট্রের বিলুপ্তি ঘোষিত হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
যুক্তরাষ্ট্র
পূর্ব জার্মানি
পশ্চিম জার্মানি
সোভিয়েত ইউনিয়ন
প্রভাতে অবস্থিত রুশ সরকারের প্রধান কার্যালয়। মস্কোর ক্রেমলিন প্রাসাদের পাশে অবস্থিত বিখ্যাত রাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের সমাধি রয়েছে।
লন্ডন শহরের প্রায় ১৬৫ কি.মি. উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত একটি বৃহৎ শিল্পনগর। এটি রেলগাড়ির ইঞ্জিন ও নানা প্রকার যন্ত্রপাতি তৈরির জন্য বিখ্যাত।
ফিনল্যান্ড উপসাগরের তীরে অবস্থিত রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং বিখ্যাত শিল্প ও বাণিজ্য কেন্দ্র। ট্রান্স সাইবেরিয়ান রেলপথ দ্বারা এ শহর সাইবেরিয়ার পূর্বপ্রান্তে ভ্লাদিভস্তক বন্দরের সাথে সংযুক্ত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ইসরাইল অধিকৃত একটি ফিলিস্তিন উপত্যকা ১৯৬৭ সালে ইসরাইল এটি দখল করে নেয় বর্তমান শান্তি চুক্তি ফিলিস্তিন স্বশাসন কর্তৃপক্ষের নিকট অর্পণ করা হয়েছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বাংলাদেশ
সৌদিআরব
মালয়েশিয়া
ইন্দোনেশিয়া
পশ্চিবঙ্গের বোলপুর অবস্থিত একটি ছোট শহর। এখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত আশ্রম রয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে বিশ্বভারতী নামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এটিকে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করে।
স্থানটি মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদি তিন ধর্মের নিকট পবিত্র নগরী হিসেবে পরিচিত। হযরত মূসা (আ) ধর্ম প্রচার করে শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। হযরত মুহাম্মদ (স)-এর মিরাজ এখান থেকে শুরু হয় ইসলামের প্রথম কেবল ঐতিহাসিক মসজিদ। বায়তুল মোকাদ্দাস অবস্থিত এখানে। স্থানটি মধ্যপ্রাচ্য সংকটের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের অমৃতসর নগরীতে অবস্থিত শিখদের পবিত্র মন্দির। ১৯৮৪ সালে ভারতের ইন্দিরা সরকার স্বাধীনতাকামী শিখদের দমনের জন্য উক্ত মন্দিরে ব্লু স্টার অভিযান প্রেরণ করেন। এর ফলে শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। শিখ দেহরক্ষীদের গুলিতে নিহত হন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। উল্লেখ্য যে, শিখরা গুরু নানক (প্রধান গ্রন্থ- গ্রন্থ সাহেব) এর অনুসারী।
ফিলিপাইনের রাজধানী, বৃহত্তম নগরী ও বন্দর এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) এবং আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (IRRI) প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
তিয়েন আনমেন শব্দের অর্থ- চিরশান্তির তোরণ নামে পরিচিত। এই স্কয়ারে দাঁড়িয়ে ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর মাও সে তুং চীনকে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ঘোষণা করে এই স্থানে ১৯৮৯ সালের জুন মাসে । গণতন্ত্রের দাবিতে চীনের হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী বিক্ষোভ করলে সৈন্যদের কামান ও ট্যাংকের গুলিতে অসংখ্য ছাত্রছাত্রী নিহত হয়। ১৯৯৭ সালে হংকং হস্তান্তরের আনন্দঘন অনুষ্ঠানটি এই স্কয়ারে পালিত হয়।
পশ্চিমবঙ্গের ভাগিরথী নদীর তীরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক প্রান্তর। ১৭৫৭ সালে ২৩ জুন এই স্থানে ইংরেজ সেনাপতি লর্ড ক্লাইভ ও বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নবাব সিরাজ-উদ দৌলার মাঝে যুদ্ধ হয় এবং নবাবের পতন হয়। এ যুদ্ধে ইংরেজ সৈন্য সংখ্যা ছিল মাত্র ৩ হাজার।
সৌদি আরবে অবস্থিত একটি শহর মুসলমানদের নিকট একটি পবিত্র স্থান। ইসলাম ধর্মের পবিত্র কাবা শরীফ অবস্থিত। উপনাম- বালাদুল আমীন নিরাপদ শহর। সৌদি আরবে অবস্থিত একটি শহর মুসলমানদের নিকট দ্বিতীয় পবিত্র স্থান। ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) জন্মগ্রহণ করেন (৫৭০ খ্রিস্টাব্দে) । পবিত্র মক্কা নগরীকে কেন্দ্র বলা হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
৬২২ খ্রিস্টাব্দে নবীজী (সাঃ) পবিত্র মক্কা হতে মদীনায় হিজরত করেন। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর পবিত্র রওজা মোবারক অবস্থিত